advertisement
রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতরে বৃহস্পতিবার সকালে হানা দেয় ইডি। তল্লাশি অভিযান চালানো হয় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতেও। ইডির তল্লাশির মধ্যেই প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছে যান খোদ মমতা। সেখান থেকে বেরিয়ে সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরেও যান। হাতে ফাইল এবং ল্যাপটপ নিয়ে তাঁকে বেরোতে দেখা যায়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলীয় নথি/ডেটা চুরির অভিযোগ এনেছেন। সেই অভিযোগ জমা পড়েছে থানায়। তার ভিত্তিতে আইটি অ্যাক্ট-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তার তদন্তের দায়িত্বে থানার অতিরিক্ত ওসি। কলকাতা পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে একটি মামলা করা হয়েছে।
গতকাল প্রতীক জৈনের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ গেলে তাদের সঙ্গে বচসা বাধে ইডি অফিসার ও সিআরপিএফের। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পুলিশের। তাই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। দুটো এফআইআর আননোন ইডি অফিসিয়াল ও সিআরপিএফের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি ইডিকে জরুরী মামলার অনুমতি দিয়েছে। প্রসঙ্গত, আইপ্যাক মামলার শুনানি মুলতুবি করে দিলেন বিচারপতি ঘোষ। ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি মুলতুবি করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূলের আইনজীবীরাও এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ঘটনার প্রতিবাদ করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন X হ্যান্ডলে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ গণতন্ত্র শাস্তির মুখে। পুরস্কৃত অপরাধীরা। নির্বাচনে কারসাজি। ধর্ষকদের জামিন দেওয়া হয়। আর প্রতিবাদীদের পাঠানো হয় জেলে। এটাই বিজেপির নতুন ইন্ডিয়া।’
