বৃহস্পতিবার, মোট ১৯ জনের সাজা মকুব করে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলায় অভিযুক্ত না-হলে জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি অরিজিৎ বন্দোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহরায়ের ডিভিশন বেঞ্চে’র। বৃহস্পতিবার পুলিশের তদন্তে এবং নিম্ন আদালতের রায়ের অন্তত ১৩টি ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন বিচারপতিরা। ফাঁসি সাজাপ্রাপ্তকে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের। পাশাপাশি ১৮ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তকেও জেলমুক্তি নির্দেশ বিচারপতি অরিজিৎ বন্দোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চের।
advertisement
২০১১ সালে হুগলির আরামবাগের শেওড়া ইউনিয়ন হাই স্কুলের পরিচালন সমিতির নির্বাচন ঘিরে অশান্তির জেরে খুন হয় শেখ নাইমুদ্দিন। সেই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ৩০ জনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন মৃত্যু হয় ৪ জনের।
বিচার প্রক্রিয়ার শেষে ২০২৫ সালে একজনকে ফাঁসির সাজা এবং ১৮ জন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আরামবাগ জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক। বাকি সাত জন এই ঘটনায় দোষী নয় বলে জানায় নিম্ন আদালতের বিচারক। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন ১৯ জন সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্ত।
তাদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, উদয় শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় এবং সাবির আহমেদ পুলিশের তদন্তে একাধিক ত্রুটি এবং অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে বলেন, অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ, মৃতের দেহ থেকে যে গুলি উদ্ধার করেন চিকিৎসক পরবর্তীতে বিচার চলাকালীন পুলিশের জমা দেওয়া গুলির সাথে মিল পাননি খোদ চিকিৎসকই, ব্যালিস্টিক রিপোর্টও দেওয়া হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।
