দফতরের রিপোর্ট উপেক্ষা করে এবং আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাজের সমালোচনা। পর্যবেক্ষণ বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের। ২০১০ সালে অক্টোবর মাসে চুক্তি ভিত্তিতে চাকরি পায় তিথি অধিকারী। শিক্ষা দফতরের সচিবালয়ে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
advertisement
২০১২ সাল পর্যন্ত কাজ করেন তিনি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর প্রশ্রয়ে ওই চাকরি হয় বলে অভিযোগ ওঠে এবং ২০১২ পর্যন্ত বেতন নেন তিনি। সেই মামলায় বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায় চাকরি প্রাপক তিথি অধিকারীর চাকরি পুনবর্হালের আবেদন খারিজ করে দেন মঙ্গলবার।
তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার সবুজ সঙ্কেতও দিলেন বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এইভাবে সরকারি কোষাগারের টাকা অনৈতিক ভাবে বিলি করা যায় না। রাজ্য চাইলে এমন অনৈতিক কাজের তদন্ত শুরু করে সত্য উদঘাটনের পথে হাঁটতে পারে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট।
