বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ বিধানসভার ভোটার। বালিগঞ্জ পাঠভবন স্কুলে বুথ তাঁর। শেষবার সস্ত্রীক এই কেন্দ্র থেকেই ভোট দিয়েছিলেন তিনি ২০১৬ সালে। সেবার এই কেন্দ্রে জোটের প্রার্থী ছিল কৃষ্ণা দেবনাথ। সস্ত্রীক ভোট দিতে এসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তারপর ক্রমেই শরীর ভেঙেছে তাঁর। তার উপর কোভিড পরিস্থিতি, সব মিলেই বুদ্ধবাবু আসুন তা চাননি দলের নেতারাও। এবার তাঁর কেন্দ্রে প্রার্থী ফুয়াদ হালিম, তাঁর একসময়ের চিকিৎসকও বটে।
advertisement
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য না দিলেও এদিন তাঁর পরিবার ভোট দিয়েছে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে। তাঁর স্ত্রী ও কন্যা দুপুরবেলা আসেন ভোটকেন্দ্রে। অসুস্থতার জন্যই এই বছর আর বুদ্ধবাবুর ভোটদান সম্ভব নয় বলে জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত ভোট না দিলেও বুদ্ধবাবুর মন এই গোটা নির্বাচন পর্ব জুড়ে ছিল নির্বাচনী ময়দানেই। জোটের ঐতিহাসিক ব্রিগেড সমাবেশে তাঁর বিবৃতি পড়ে শোনানো হয়। পরে প্রচার চলাকালে একটি অডিও বার্তও দেন তিনি। তাতে উত্তেজনায় ফেটে পড়েছিল বামেদের নবীন প্রজন্ম। ভোকাল টনিক প্রমাণ করেছিল আজও ব্র্যান্ড বুদ্ধই সিপিএম-এর বড় ভরসা।
গত ডিসেম্বরেই শরীরে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। উডল্যান্ডস হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন থাকার পর ছুটি পান ৭৫ বছর বয়সি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ছাড়তে হয় প্রিয় নেশা সিগারেট। যদিও বই পড়া, নতুন লেখার খসরা তৈরি করার কাজ থামেন।
