তৃণমূলের অভিযোগ, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় বেছে বেছে লোক পাঠাচ্ছে শাহের পরামর্শে, এটাই তার প্রমাণ’। সায়নী ঘোষ বলেন, ‘এতদিন ইডি, সিবিআই, আইটি, এনআইএ করে সুবিধা করতে না পেরে এখন কমিশনকে কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি।’
বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে পুলিশ অবজ়ার্ভার নিয়োগ নিয়ে বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি আইপিএস আধিকারিক জয়ন্ত কান্তকে এ রাজ্যে নির্বাচনের জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। তবে ওই নিয়োগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূলতৃণমূলের অভিযোগে বলা হয়েছে যে, একজন পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাজ হল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক দলগুলির জন্য সমান পরিসর তৈরি করা। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ‘অবজ়ার্ভার হ্যান্ডবুক’ অনুযায়ী, পর্যবেক্ষকদের আচরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এমতাবস্থায় যাঁর স্ত্রী সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, সেই অফিসারের পক্ষে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে জোড়াফুল শিবির।
