এদিন সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের সকল মানুষকে আমার শুভেচ্ছা। সামনে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ২ দিন আমি পশ্চিমবঙ্গে আছি। আপনাদের বুথ লেভেল অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছি। আপনারা সবাই জানেন ভোটিং পার্সেন্টেজ বেশি ওয়েস্ট বেঙ্গলে। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়জি উনিও কম্পোজড করেছেন ‘বন্দে-মাতরম’।’’
advertisement
এদিন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বক্তব্যের এই অংশ তুলেই অভিযোগ তোলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘‘দেশের অন্যতম উচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি, আমাদের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জি, জানেন না, কোনটা আমাদের জাতীয় সঙ্গীত এবং কোনটা জাতীয় গান’৷
ব্রাত্য বসুর অভিযোগ, ‘আজ (মঙ্গলবার) , উনি জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-কে আমাদের ‘জাতীয় গান’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন’৷
প্রসঙ্গত, গত মাসেই জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র৷ সেই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এবার থেকে সম্পূর্ণ গানটিই জাতীয় গান হিসাবে বিবেচিত হবে এবং সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে৷ শুধু তাই নয়, যে সমস্ত অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় গান দুই গাওয়ার কথা থাকবে, সেখানে জাতীয় গানই প্রথমে গাওয়া বা বাজানো হবে৷
সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে বক্তৃতা করার সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা’ বলা ঘিরেও তৈরি হয়েছিল বিতর্ক৷ যদিও তখনই তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলে দেওয়ায় ভুল শুধরে নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে একগুচ্ছ বিষয়ের উল্লেখ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার৷ বলেন, ‘‘হিংসা মুক্ত ভোটগ্রহণে বদ্ধ পরিকর কমিশন। গণতন্ত্রের উৎসবে আপনারাও শামিল হন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার সংখ্যা অনেক বেশি। কোনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না যায়, কোনও অবৈধ ভোটার যেন ভোট না দিতে পারে, এটাই ছিল এসআইআরের একমাত্র উদ্দেশ্য।’’
