তিনি জানান, আগামী ১ মার্চ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হবে বিজেপির এই যাত্রা। প্রথম দিন গড়বেতা, রাইদিঘি, কোচবিহার দক্ষিণ, কুলটি এবং কৃষ্ণনগর দক্ষিণে উদ্বোধনী সভা হবে। ২ মার্চ ইসলামপুর, সন্দেশখালি, হাসনাবাদ এবং আমতাতেও একইভাবে কর্মসূচি থাকবে। হোলির জন্য ৩ ও ৪ মার্চ কর্মসূচি বন্ধ থাকবে, এরপর ৫ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৫০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে এই যাত্রা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ৩০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক ফিরেছে, বাংলাভাষীদের টার্গেট করা হচ্ছে! বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র তোপ মমতার
বিজেপির দাবি, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে যাবে এই কর্মসূচি। মোট ৩০০টি ছোট এবং ৬৪টি বড় জনসভা হবে। এই কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবেন নীলাঞ্জন রায় এবং সহ-সমন্বয়ক রীতেশ তিওয়ারি। কর্মসূচির শেষ হবে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের মাধ্যমে।
এই যাত্রার উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নীতিন নবীন, স্মৃতি ইরানি, অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা, ধর্মেন্দ্র প্রধান, রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি, দেবেন্দ্র ফড়নবিস এবং শিবরাজ সিং চৌহান।
সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার নেই এবং বারবার প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হয় বিরোধীদের। তাঁর দাবি, অতীতেও রথযাত্রা বা পরিবর্তন যাত্রায় বাধা এসেছে। তবে, এবার সংগঠিতভাবে পরিকল্পনা করে বিজেপি পথে নামছে।
এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
