এ দিন লকেট চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, ২ তারিখে ফল ঘোষণার পরে এত কর্মা মারা গিয়েছে , এত মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে। একজন মহিলা হয়ে আমার মনে হয়েছে, আমি নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে থাকলে আমি তাদের পাশে কোন মুখে দাঁড়াব। নির্বাচনের সময়ে আমায় ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা হয়েছিল। আমি সাংসদ হয়েছিলাম মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। আমি তাদের কাছে মুখ দেখাতে পারি না। আগে তাঁদের নিরাপত্তা আমি দিই, তারপরে দেখা যাবে। লকেটের যুক্তি আজ নয়, দিন কুড়ি আগে থেকেই তিনি নিরাপত্তা ছাড়তে চাইছিলেন। আজ সেই প্রক্রিয়া অনেকটা এগোলো।
advertisement
প্রসঙ্গত নির্বাচনের পরে অশান্তির অভিযোগকে সামনে রেখে বিজেপি তাদের ৭৫ জন বিধায়ককেই নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিল। যদিও অন্তত ১৫ জন সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দলকে অস্বস্তিই দিয়েছে। মূলত কোভিডের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায় নেওয়াটাই এড়াতে চাইছিলেন তাঁরা। অনেকে আবার যুক্তি দেন, নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে কোনও এলাকায় গিয়ে ফিরে আসার পর বিজেপিকর্মীরা আক্রান্ত হলে লজ্জিতই হতে হবে। তাই নিরাপত্তা নয়, সাংগঠিক শক্তিবিস্তারেই মন দিতে চাইছেনঁ তাঁরা। লকেটকেও অনেকটা তেমনই ভুমিকায় দেখা গেল।
এবার নির্বাচনে সাংসদ লকেটকে বিধায়ক পদে বাজি ধরেছিল দল। কিন্তু সেই লড়াইযে সফল হননি লকেট। তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমজারের কাছে পরাজিত হতে হয়েছে তাঁকে। তবে হার স্বীকার করেও মাঠ ছাড়েননি লকেট। হারের দায় কারও উপর চাপিয়ে দেননি। বরং মাঠে নেমে কাজ করেছেন। এই স্পিরিটের জন্য তিনি প্রশংসা পেয়ছেন ঘরে বাইরে।
