বিজেপিতে যোগ দিয়েই সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, ”বিজেপির সরকারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়নি আগে। আশা করেছিলাম, ভাল হবে গত সরকারের আমলে। বেকার ভাতা সিপিআইএম সরকারের সময় হয়েছিল। অবাক লাগল, এই যুবসাথী প্রকল্পের জন্য। যুবশ্রী-তে একটা জিনিস ভাল ছিল, যারা টাকা পাচ্ছে, তারা তাদের কাজে লাগাচ্ছে কিনা টাকা, সেটার হিসেব থাকত। কিন্তু এবার কোনও হিসেব নেই। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কারণ, উন্নয়নের পথে হাঁটা। বাংলায় কত বেকার আছে, তার কোনও হিসেব নেই। তাহলে উন্নয়ন কীভাবে হবে?”
advertisement
সুমিত্রর পরেই বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বলেন, ”বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বন্দে মাতরম রচনা করেছেন গোটা দেশের জন্য, দেশের সকল মানুষের প্রেরণার জন্য। ভবিষ্যতের ভারতের জন্য সংকল্প সেটা। বন্দে মাতরম একতার প্রতীক আমাদের সকলের কাছে। আমরা ভারতীয়, এটাই আমাদের পরিচয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের একজন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন। বাংলার যে মানুষ পরিবর্তন চাইছেন, ওঁকে দেখে তারা আরও উদ্বুদ্ধ হবেন।”
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এই যোগদানকে ইতিবাচক পরিবর্তন-এর এক আশা হিসেবে দেখছেন। ইদানীং রাজ্যের একাধিক অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিদের সামনে এনে বিজেপি ভোটারদের এই বার্তাই দিতে চাইছে যে, তাঁরা কেবল আবেগ নয়, বরং যোগ্য প্রশাসনিক বিকল্প হিসেবেও প্রস্তুত। আর সেক্ষেত্রে তাঁদেরও অস্ত্র তৃণমূলের মতোই বাঙালি অস্মিতা।
