এদিন বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের ১৬ দফা দাবি পেশ করে বিজেপির তরফ থেকে কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। তবে সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ এছাড়া, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল৷
advertisement
আরও পড়ুন :কতদূর এগোল ‘অ্যাডজুডিকেটেড’ ভোটারদের কাজ? রাজ্যে এসেই খোঁজ নিলেন জ্ঞানেশ কুমার
এদিন বৈঠক শেষে বেরিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে কমিশনের সামনে বিস্তারিত ভাবে কী কী পদক্ষেপ আমরা প্রত্যাশা করছি, তা আমরা বলেছি। ২০২৬-এর নির্বাচন হিংসা মুক্ত, ভয় মুক্ত করার জন্য ১৬ দফা দাবি দিয়েছি৷’’
তাঁর দাবি, ‘‘কীভাবে শান্তিতে নির্বাচন করা যায় সেই নিয়ে কথা বলেছি। আমরা ১৬ দফা দাবি রেখেছি। ৮০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হয়েছে ভোট আসার আগেই। কিন্তু রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছি আমরা।’’
বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদ্ব্যবহার করতে হবে৷ রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে তারা অসসন্তুষ্ট। পাশাপাশি, বিজেপির মত, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। বিজেপি ১ থেকে দু দফায় ভোট চেয়ে কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে দাবি রেখেছে৷
এছাড়া, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের গঠনের সব অফিস বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি৷ তাদের অভিযোগ, রাজ্যে পুলিশের ভোট লুট করে ওই সংগঠন৷
তাপস রায়ের বক্তব্য, ‘‘আমাদের দলের তরফে যেটা আমরা বলেছি, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ঠিক নির্বাচন হয়নি। আঙুল কেটে দেওয়ায় কথা বলা হয়েছে। এই আঙুল কাটা মনে সংবিধানের আঙুল কাটা।’’
