যেমনটা পরিবার বলছে, একটি অচল ও একটি সচল লিফট ছিল। কিন্তু সচল লিফটের কথা পরিবার জানত না। কেউ একজন (পরিবার বলছেন ডাক্তার) জানান, পেশেন্টকে বাথরুম করতে হলে বাইরের পে অ্যান্ড ইউজে নিয়ে যেতে। উনি লিফটের কথা জানায়নি। নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে কথা বলে জানলাম গ্রাউন্ড ফ্লোরের রোগীরা বাইরেই যায় বাথরুম করতে। ওপরের সাত পর্যন্ত বাথরুম আছে। গাউন্ড ফ্লোরের রোগীরা কোথায় যাবে কোনও জবাব নেই। মৃতের ছেলে বিশাল সামন্তের দাবি, ‘লিফটের কথা বলেনি হাসপাতালের ডাক্তার৷ বলল বাইরে নিয়ে যেতে বাথরুম করাতে।’
advertisement
শ্বাসকষ্টরে সমস্যা ছিল বাবার। একটু স্টেবল ছিল স্ট্রেচার লাগেনি৷ তবে বাইের বাথরুমের ওপরে শৌচালয়। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়েছে বাবা পড়ে যায়, আমি ধরে ফেলি৷ ওখানেই মৃত্যু। গ্রাউন্ড ফ্লোরে বাথরুম নেই, লিফটের কথা জানলে ওপরে যেতে পারতাম৷ কিছুদিন আগেও শুনলাম লিফটে মৃত্যু। জানতাম লিফট নেই৷
