মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিহারে মোট এগারোটি নথি গ্রহণ করা হয়েছে, আর বাংলায় সেই তালিকায় আরও দুটি নথি যুক্ত হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, বিহারে যদি পুরসভা বা পঞ্চায়েতের দেওয়া জন্ম শংসাপত্র গ্রহণযোগ্য হয়, তবে বাংলায় তা বাতিল করা হবে কেন? একইভাবে, বিহারে যদি পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট এবং রাজ্য সরকারের দেওয়া ল্যান্ড রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট বৈধ হিসেবে মানা হয়, তবে বাংলায় সেই একই ধরনের নথি অগ্রাহ্য করার যুক্তি কী? তাঁর অভিযোগ, একই নিয়মের ভিন্ন প্রয়োগ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
advertisement
আপনার শরীরে কি ক্যানসার বাসা বাঁধছে? মাত্র ৩০ মিনিটেই জানতে পারবেন! যুগান্তকারী পদক্ষেপ দেশে
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১৪ তারিখ পর্যন্ত। কিন্তু তার আগেই লগ-ইন পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বহু মানুষ নথি জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি এবং কয়েক লক্ষ মানুষের শুনানি হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, যাঁদের আবেদন গ্রহণই করা হল না, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাঁদের জন্য কি নতুন করে কোনও সুযোগ দেওয়া হবে?
তিনি আরও বলেন, বিহারে যদি পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট ‘অ্যালাও’ করা হয়, তবে বাংলায় তা বাতিল করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি দফতর থেকে ইস্যু করা ল্যান্ড সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য বলে নির্দেশ থাকলে তা মানতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এভাবে নথি অগ্রাহ্য করা হলে তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘনের সামিল হতে পারে।
পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিয়মের প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও সমতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বৃহৎ সংখ্যক মানুষের অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
