সূত্রের খবর, স্বাধীনতার আগে থেকেই রামপুরহাটের হাঁসনের বাসিন্দা সামিরুলের পরিবার। তা সত্ত্বেও এই তলবে রীতিমতো বিরক্ত সাংসদ। তিনি জানিয়েছেন, তিনি রাজ্যসভার একজন সাংসদ। তাঁর পরিচয় আছে ভারতীয় নাগরিক হিসাবে। তার পরেও তাঁকে ডাকা হয়েছে।
advertisement
তাঁর অভিযোগ, আসলে বাংলাভাষা নিয়ে তিনি আন্দোলন করেছেন তাই হেনস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার সংযোজন, যদি সাংসদকেই নোটিস দিয়ে ডেকে পাঠানো হয়, তাহলে বাকিদের ক্ষেত্রে কী হবে?
এদিকে আজই এসআইয়ের নিয়ে বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের কথায়, “যদি নির্বাচন কমিশন যৌক্তিক অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির) তালিকা প্রকাশ না করে, তাহলে কলকাতা ও দিল্লিতে গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ হবে।”
আরও পড়ুন: ১ লক্ষ ভারতীয় ‘টাকায়’ আজ কত ইরানি ‘রিয়াল’ হবে জানেন…? চমকে দেবে সঠিক ‘অ্যামাউন্ট’!
অভিষেক বলেন, কেন শুধু পশ্চিমবঙ্গকেই নিশানা করা হচ্ছে? একাধিকবার প্রশ্ন করা সত্ত্বেও আমরা কোনও উত্তর পাইনি। প্রতিবাদ শুরু হলে জ্ঞানেশ কুমার বাংলার শক্তি বুঝতে পারবেন।”
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তারকা সাংসদ দেব, জয় গোস্বামী, মহম্মদ শামি, লক্ষ্মীরতন শুক্লা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। গতকালই অভিনেতা সাংসদ দেবকে হাজিরা দিতে বলা হয়। বেরিয়ে কমিশনকে মানবিক হওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তারকা সাংসদ। তৃণমূলের তরফে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে, পরিকল্পনামাফিক শুনানিতে ডেকে আমজনতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে। বৃদ্ধ ও অসুস্থদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিংয়ের দাবিও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লিখেছেন তিনি। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। কমিশনের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ আমজনতাও।
