জনসচেতনতা অর্জনের লক্ষ্যে সরাসরি ভাবে এই অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। এর পাশাপাশি ফেডারেশনের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রচারের জন্য শ্যেফ ক্যাপ এবং অ্যাপ্রনের উপর বেনফিশ-এর লোগো রাখা হয়েছিল। এছাড়াও ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা যেসব গ্যাসের স্টোভ ব্যবহার করেছেন, সেগুলি স্পনসর করেছে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড।
advertisement
রান্নার ওই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ২৭ জন প্রতিযোগী। তাঁরা সকলেই চিংড়ি ব্যবহার করে রান্না করেছেন। আর রান্নার প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত চিংড়িগুলি আইকিউএফ (ইন্ডিভিজ্যুয়াল ক্যুইক ফ্রিজিং) পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। বেঙ্গল ফিশ ফেস্টের ওই প্রতিযোগিতায় বাংলার খাঁটি এবং চমকপ্রদ রন্ধন সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটিয়ে রকমারি সুস্বাদু পদ রেঁধেছিলেন প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী। এখানেই শেষ নয়, রন্ধন প্রতিযোগিতায় সাবেকি পদ তৈরির কৌশলের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের জন্য উদ্ভাবনী পদ তৈরির কৌশল ব্যবহারের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছিল। বলাই বাহুল্য যে, এহেন একটি অনুষ্ঠান দর্শকদের মনে প্রবল আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন– ভারতের কোন শহরকে বিশ্বের পাটের রাজধানী বলা হয়? চট করে বলতে পারবেন না অনেকেই
ওই প্রতিযোগিতায় রান্নার কৌশল বা রেসিপি, স্বাদ এবং প্রেজেন্টেশন – এই তিন বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই অনুষ্ঠানের প্রথম তিন জন পদাধিকারীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এদিকে সরকারি দফতর আয়োজিত এমন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।
