শমীক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ”কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকায় আগুন লাগানোর ঘটনা বিজেপি সমর্থন করে না।” তাছাড়া, এটা পার্টির কোনও অনুমোদিত কর্মসূচি ছিল না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। যদিও তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে মঞ্চে দেখা গিয়েছে রাকেশকে। অন্যদিকে কংগ্রেস দফতরে রাকেশের নেতৃত্বে হামলা প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, ”রাকেশ বিজেপি সমর্থক। বিজেপির মেম্বারশিপ নিয়েছে। সে থাকতেই পারে। তবে এই ঘটনা নিয়ে আমাদের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য যা বলেছেন, সেই বক্তব্যই আমি সমর্থন করি। শমীকদা বলেছেন এটা দলের অনুমোদিত কর্মসূচি নয়।”
advertisement
বিজেপি পার্টি ও নাম না করে রাহুল সিনহাকে নিশানা রাকেশ আবার ভিডিও বার্তায় শনিবার বলেছেন, ”আমাদের পার্টিতেও রাহুল ‘পাপ্পু’ নামে লোক আছে। তিনি বলছেন এটা কংগ্রেসের লড়াই। উনি লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে আটবার হেরেছেন। উনি পার্টির কার্যকর্তাদের কেউ নন, তাই হারেন। আর আমাদের পার্টির অনেক নেতা আছেন, যারা খুশি হবেন আমি গ্রেফতার হলে।”
এরপরই নিজের দল বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করে রাকেশ বলেন, ”যা করেছি, বুঝে করেছি, ঠিক করেছি।” পাশাপাশি শুভঙ্কর সরকার রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমিক ভট্টাচার্যকে ইতিমধ্যে খোলা চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতির জবাব, “শুভঙ্কর সরকার যাকে সমাজবিরোধী বলছেন, তিনি আগে কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। পরবর্তী সময়ে দলবদল করে বিজেপিতে এসেছে। তাহলে তাকে কীভাবে সমাজবিরোধী সন্ত্রাসবাদী বলা যায়!”
