নির্যাতিতার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৩ টি স্কুল থেকে ফিরছিল। রাস্তায় বৃদ্ধার দোকান। শিশুটিকে বাতাসা খাওয়ার লোভ দেখানো হয়। খাওয়ানোর নাম করে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয় দোকানের ভিতরে নিয়ে গিয়ে। শিশুটির মা খোঁজ শুরু করে। সন্তানের খোঁজে স্কুলের দিকে যেতে শুরু করেন। সেই সময় দোকানের পাশে মেয়ের জুতো পড়ে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হয়। দোকানের ভেতরে ঢুকে দেখেন তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। সঙ্গে চিৎকার করেন তিনি। চিৎকার পেয়ে দৌড়ে আসে প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় বারুইপুর থানায়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। আদালতে গোপন জবানবন্দীর আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত চলছে বলে বারুইপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলায় নাবালিকা ধর্ষণ ও বিষপ্রয়োগে খুনের চাঞ্চল্যকর মামলায় দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত রাহুল হালদার ওরফে পাপ্পুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ২০২৩ সালের জুন মাসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। তদন্তে উঠে আসে, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল ইলেকট্রনিক প্রমাণ—PW 3–এর মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা একটি ভিডিও ফুটেজ। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সি. সরকারের সাক্ষ্য আদালতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। তদন্তকারীরা আদালতকে জানান, ডিজিটাল প্রমাণগুলো আইনসম্মতভাবে যথাযথ হেফাজতকারীর কাছ থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষায় তার সত্যতা মিলেছে।
