বাতাবাড়িতে সাংবাদিকদের সামনে মহম্মদ এরশাদ বলেন, ‘তিস্তার জল আমাদের চাই ৷ তিস্তার জল আমাদের প্রাপ্য ৷ প্রায় ৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে না ৷ বাংলাদেশের হাজার হাজার কৃষক জলের জন্য হাহাকার করছেন ৷’
একইসঙ্গে বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির দাবি, ‘শেখ হাসিনা এনিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করছেন ৷ তাঁর আমলেই তিস্তা জল চুক্তি হবে ৷’
advertisement
অন্যদিকে, তিস্তা নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের জলের প্রয়োজন। তাই, তিস্তার বদলে তোর্সা - মানসাই-সহ একাধিক নদীর জল দেওয়া হোক ঢাকাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে ফের প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিস্তার পানি পায়নি ঢাকা। বদলে শেখ হাসিনাকে ফিরতে হয়েছে বিদ্যুৎ নিয়ে। তা নিয়ে অনুযোগ করতেও ছাড়েননি হাসিনা। রাজ্যকে এড়িয়ে মোদির ওপরেই তিস্তা চুক্তির দায় চাপিয়ে গিয়েছেন তিনি।
কিন্তু, অনড় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তিস্তা উত্তরবঙ্গের লাইফলাইন। তাতে ঢাকা ভাগ বসালে শুকিয়ে মরবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ বেশ কিছু এলাকা। তাহলে, তিস্তার জল নিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের যে দাবি তার কী হবে? বদলে তোর্সা, মানসাই - সহ কয়েকটি নদীর জল বাংলাদেশকে দেওয়ার একটি বিকল্প প্রস্তাব দেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু, তাতে আবার নারাজ ঢাকা।
এদিন বীরপুরের সভা থেকেও কেন্দ্রকে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আরও একবার বার্তা দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ বলেন, ‘যেখানে জল আছে, সেখান থেকে দেব ৷ বাংলাকে বঞ্চনা করে তিস্তার জল দেব না ৷ তবে আমি বাংলাদেশকে জল দিতে চাই ৷’
