সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা সকলে সমাজের অংশ। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় যেমন বলেছিলেন, সমাজ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা যায় না। সমাজের জন্য কাজ করতেই হবে।” তিনি বিধানচন্দ্র রায়ের অবদানের কথাও স্মরণ করেন এবং বলেন, রাজ্যের রাজনীতি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “দেশ প্রথম। দেশবিরোধী কোনও কাজ আমরা করব না।”
advertisement
আর জি কর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই মৃত্যু শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, সমাজেরও ব্যর্থতা। “যেখানে একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক নিরাপদ নন, সেখানে সমাজ হিসেবে আমরা কী তৈরি করেছি?”—প্রশ্ন তোলেন তিনি। দুর্গাপুরে অনুরূপ ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজে যদি একজন মেয়েও নিরাপদ না থাকেন, তবে সমাজ নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।
রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থার নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি জানান, অনেক ছাত্রছাত্রীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাপ্লি দেওয়া হচ্ছে, রিভিউয়ের নামে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এর ফলে ভবিষ্যতে চিকিৎসকরা যাতে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে না পারেন, সেই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলির পরিকাঠামোগত ঘাটতি, উত্তরবঙ্গে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার অভাব এবং নির্বাচনের আগে জিডিএমও দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকেও কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী।
