যার পোশাকি নাম ‘আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা’।
বিধানসভা ভোটের আগে তাদের নিয়ে কর্মশালা করছে শাসক দল। মিলন মেলায় এই সব ডিজিটাল যোদ্ধাদের কনটেন্ট নিয়ে কর্মশালায় হবে আলোচনা। “নানা মাধ্যমে লড়াই চলছে। রাজপথ, সংসদের মতো সমাজমাধ্যম এবং ডিজিটাল দুনিয়াও এখন লড়াইয়ের জায়গা হয়ে উঠেছে। যা রয়েছে মোবাইলের স্ক্রিনে। যেখানে প্রতিনিয়ত বাংলা-বিরোধীরা কুৎসা, অপপ্রচার করছে।” আগেই এই বার্তা দিয়েছেন অভিষেক।
advertisement
ডিজিটাল যোদ্ধা নিয়ে এবারের ভোটে নয়া স্ট্র্যাটেজি তৃণমূলের
ইতিমধ্যেই সভা-মিছিল করে প্রাক নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। এবার ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে সম্মেলনে বার্তা দেবেন অভিষেক। সমাজমাধ্যমের প্রচারকে যে নির্বাচনেও ‘অস্ত্র’ করা যায় তা ভারতে প্রথম দেখিয়েছিল বিজেপি।
২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদীর প্রচারকে সমাজমাধ্যমে বিপুল উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল তারা। রাজনৈতিক দলে যে ‘আইটি সেল’ থাকতে হয়, তা বিজেপিরই দেখানো।
তৃণমূলেও আইটি সেল রয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালের আগে ডিজিটাল প্রচারকে আরও সংগঠিত ও পেশাদার করতে চাইছেন অভিষেক। নিঃসন্দেহে সেই কারণেই এই উদ্যোগ।
ডিজিটাল দুনিয়ায় সেনা নামাতে নতুন কর্মসূচি চালু করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কলকাতার মিলন মেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বিশেষ সভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যাঁরা দলের হয়ে সর্বাত্মকভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় লড়াই করছেন তাঁদের সঙ্গে বসে নির্বাচনী রণনীতি নিয়েও দিকনির্দেশিকা দেবেন তিনি। বাংলায় উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড, তার প্রচারে কীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, তা নিয়ে বার্তা দেবেন অভিষেক। সরকারের দেড় দশকের রিপোর্ট কার্ড ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক ভাবেও বিজেপির মোকাবিলা করতে হবে। বিজেপিকে হারাতে যে বিষয়গুলিতে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে ডিজিটাল যোদ্ধাদের তা এই বিশেষ সভা থেকে জানাবেন অভিষেক।
