দার্জিলিং থেকে কলকাতা। দূরত্ব অল্পই। কিন্তু, শনিবার অমিতাভর সেই সামান্য পথ পেরনোর অপেক্ষাতেই সময় গুনছিল তাঁর পরিবার।
দুপুর ১২.৩৫
শুক্রবার রাতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ছিল অমিতাভর দেহ। শনিবার সকালে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান একাধিক পুলিশ আধিকারিক। বাগডোগরা থেকে বিমানে কলকাতা রওনা দেয় অমিতাভ মালিকের কফিনবন্দি দেহ।
দুপুর ১.৫৫
advertisement
দমদম বিমানবন্দরে নামল অমিতাভ মালাকারের কফিনবন্দি দেহ। সেখানেই তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শ্রদ্ধা জানান বিধাননগর পুলিশ ও সিআইএসএফ-এর কর্মীরাও।
দুপুর ২.২০
অমিতাভ মালিকের দেহ পৌঁছয় মধ্যমগ্রামে। স্থানীয় একটি ক্লাবের মাঠে রাখা হয় দেহ। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান রাজ্য পুলিশের কর্তারা। অমিতাভকে শেষবারের মতো দেখতে যান তাঁর বাবা, মা ও স্ত্রী। ভিড় জমান আশপাশের বহু মানুষ। অমিতাভকে গান স্যালুটে শ্রদ্ধা জানান পুলিশকর্মীরা।
বেলা ৩.০০
অমিতাভর দেহ পৌঁছয় তাঁর বাড়িতে। ফের কান্নার রোল ওঠে মালিক পরিবারে। মিশুকে অমিতাভর এমন পরিণতি দেখে শোকস্তব্ধ হয়ে যায় গোটা এলাকা। বাড়ি থেকে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিমতলা শ্মশানে।
বেলা ৪.১৫
নিমতলা শ্মশানে পৌঁছয় অমিতাভর দেহ। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। চোখের জলে অমিতাভকে বিদায় দেন তাঁর পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীরা।
