এদিন বেলা ৩টে নাগাদ মথুরাপুরের মঞ্চে ওঠেন শাহ৷ বাংলার জমিকে, বনবিবির মন্দিরকে, কপিল মুনির আশ্রমকে প্রণাম জানিয়ে এদিনের বক্তব্য শুরু করেন৷ বলেন, ‘‘আজ এখান থেকে পরিবর্তন যাত্রা শুরু হচ্ছে। এ রাজ্যের ন’টি জায়গা থেকে হবে এই যাত্রা। গতকাল হয়েছে চার জায়গা থেকে। আজ পাঁচ জায়গা থেকে এই যাত্রা শুরু হল।’’
advertisement
কিন্তু, কেন এই পরিবর্তন যাত্রা? শাহ বলেন, ‘‘কাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছিলেন এটা টার্গেট পূরণের যাত্রা। ’’ তৃণমূলনেত্রীর সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অমিত শাহকে বলতে শোনা যায়, ‘‘কিন্তু পরিবর্তনের মানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বদলানো নয়৷ সেটা বাংলার মানুষ করবে। আমাদের পরিবর্তন মানে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করা। বাংলা থেকে ‘ভ্রষ্টাচার’ বন্ধ করা। সিন্ডিকেট বন্ধ করা। সীমান্ত সুরক্ষিত করা। মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আর তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে বিজেপির সরকার আনতে হবে।’’
শুধুমাত্র তৃণমূলকেই নয়, এদিন একযোগে বামেদেরও একহাত নেন শাহ৷ বলেন, ‘‘কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাকে নিচু করেছে। বাংলা ছিল সুজলা সুফলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিবের রাজ্য বানিয়েছে। এবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কল্পনার সোনার বাংলা তৈরি করতে হবে।’’
আরও পড়ুন: ভোটের মুখে ‘তফশিলির সংলাপ’ সম্মেলন তৃণমূলের, সভায় বক্তব্য রাখবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
সবশেষে শাহের হুঙ্কার, ‘‘ধাক্কা দিতে হবে আর তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে ফেলতে হবে। আর সেকারণেই এই পরিবর্তন যাত্রা। ’’
