তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করে এ দিন অমিত শাহ বলেন, ‘মমতা দিদি সবসময় ‘ভিক্টিম কার্ড’-এর রাজনীতি করে এসেছেন৷ কখনও পা ভেঙে ফেলছেন,কখনও মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে ফেলেন, কখনও আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ আবার কখনও অসহায় সেজে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করেন৷ কিন্তু মমতা দিদি আপনার এই ‘ভিক্টিম কার্ড’-এর রাজনীতি বাংলার মানুষ ধরে ফেলেছে৷ নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করাটা বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খায় না৷’
advertisement
এই প্রসঙ্গেই রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেরল, তামিলনাড়ুর মতো ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে মিটলেও কেন শুধুমাত্র বাংলাতেই এসআইআর শেষ করার জন্য বিচারকদের কাজে লাগাতে হল? অমিত শাহের দাবি, রাজ্যের জেলাশাসকরা নির্ভয়ে এসআইআর-এর কাজ করতে পারেননি বলেই বিচারকদের কাজে লাগানোর নির্দেশ দিতে হয়েছে সুপ্রিম কোর্টকে৷
এ দিন তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের সমালোচনা করতে গিয়ে বামেদের প্রশংসাও করেছেন অমিত শাহ৷ তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের অপশাসনের তুলনায় বামফ্রন্টের সরকার ভাল ছিল৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সোনার বাংলা তৈরি করার নামে হিংসা অরাজকতা চলেছে । এখানে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে সরকার। সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। তোষণকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে৷ সোনার বাংলা তৈরির স্বপ্নের সঙ্গে পরিবর্তন এনেছিল বাংলার মানুষ। কিন্তু এখন বাংলার মানুষের মনে হচ্ছে, এর থেকে বামপন্থীরা ভাল ছিল৷
