আইনজীবী না থাকায় বিচারকের কাছে কোনও আবেদন পেশ করা যায়নি বলে জানা গেছে। সেই কারণে আখতার আলি আদালতে আত্মসমর্পণ না করেই কোর্ট চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে যান। ঘটনাকে ঘিরে আদালত চত্বরে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, আখতার আলির বিরুদ্ধে আগেই জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আইনজীবী অনুপস্থিত থাকার জেরে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় মামলার আইনি জটিলতা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
advertisement
সুখবর! ‘৪ রাশি’ টাকার গদিতে চড়বে! বুধ প্রবেশ করছেন শতভিষা নক্ষত্রের দ্বিতীয় অবস্থানে
নতুন দল ক্ষমতায় এলে এই প্রতিশ্রুতি পূরণে হিমশিম খাবে! রাজ্যের বাজেটকে কটাক্ষ অশোক লাহিড়ির
গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। অবশেষে আরজি কর দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত আখতার আলি শনিবার আত্মসমর্পণ করতে আলিপুর আদালতে হাজির হন। আদালতে আখতার আলির দাবি, তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অসুস্থতার অজুহাতে একাধিকবার আদালতে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। গতকালই আখতার আলির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল সিবিআই আদালত। আজ, শনিবার সরাসরি হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই এসেছিলেন আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে। কিন্তু এত কিছুর পরেও আত্মসমর্পণ করতে পারলেন না আখতার।
আরজি কর দুর্নীতি সংক্রান্ত সিবিআই মামলায় আদালত ফের কড়া অবস্থান নেয়। আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং ধারাবাহিকভাবে হাজিরা এড়ানোর অভিযোগে আগেই আখতার আলির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই শনিবার তাঁর আত্মসমর্পণের ইচ্ছেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আইনজীবী মহল। এই মামলার মধ্যেই তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। আরজি কর দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। ইডি-র বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সন্দীপ ঘোষের। পাশাপাশি অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরাকেও। একই সঙ্গে সুমন হাজরার মালিকানাধীন হাজরা মেডিক্যালের বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে।
