মমতার ধর্নামঞ্চে হাজির হয়ে সোমবার অভিষেকের অভিযোগ, ‘দিল্লি থেকে একজন আমলা ফোন করেছিলেন। বলছেন, এদের ষড়যন্ত্র আরও বৃহৎ। গরিবের অ্যাকাউন্টে যে টাকা আছে, সেগুলো আত্মসাৎ করবে বিজেপি নেতারা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। পরবর্তী কালে যদি আপনার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যায়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে গেলে বলবে কেওয়াইসি জমা করো, ভোটার কার্ড দাও। ভোটার কার্ড দিতে না পারলে মোদিবাবু অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে টাকাটা নিজেদের নামে নেবে। এটাই এঁদের ষড়যন্ত্র।’
advertisement
বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পাশাপাশি অভিষেক আরও বলেন, ‘আপনি যত দফার ভোট করার করুন। সবে দফারফা করব। গত বার কোভিডের সময় আট দফায় ভোট করেছেন। কত মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। দফায় দফায় আঘাত করেছি, গণতান্ত্রিক ভাবে জবাব দিয়েছি বিজেপিকে। প্রথম দফায় আপনাদের হাত ভেঙেছিলাম। দ্বিতীয় দফায় পা ভেঙেছিলাম। তৃতীয় দফায় কোমর… এ বার এক দফায় ভোট করুন। সকাল থেকে রাতের মধ্যে রাজনৈতিক ভাবে মাজা, কোমর, শিরদাঁড়া সব ভেঙে মানুষ জবাব দেবে।’
আরও পড়ুন: ‘আপনি মে-র পরেও ব্যবস্থা নেবেন? স্পাইউডারম্যান যেন!’ ধর্নামঞ্চে কমিশনকে তুলোধনা তৃণমূলনেত্রীর
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নাম করে অভিষেক বলেন, ‘আমি জ্ঞানেশবাবুকে বলব, ক্ষমতায় থাকলে আপনি করে দেখান। আপনি বলেছিলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করব না। করিয়েছি। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। ‘ম্যাপড’ কেসে, মানে ২০০১ সালের ভোটার তালিকায় পরিবারের কারও কারও নামে নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠা হয়, আপনি কোন অধিকারে ভোটাধিকার কাড়তে পারেন জবাব দিন। আমার একটাই প্রশ্ন, যাঁদের নাগরিকত্ব প্রতিষ্ঠিত, তাঁদের নাম কোন অধিকারে কাড়বেন, সেই জবাব দিন।’
আবীর ঘোষাল
