এটি শুধু ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণিমাই নয়, বরং বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল পূর্ণিমাগুলোর একটি। এই দিনে চাঁদ থাকবে পেরিজিতে, অর্থাৎ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের অবস্থানে। এর ফলে চাঁদ সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বড় এবং প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল দেখাবে।
আরও পড়ুন: বুধের নক্ষত্রে দেবগুরুর গোচর! ৪ রাশির বৃহস্পতি তুঙ্গে, সোনায় মুড়বে কপাল, চড়বেন সাফল্যের সিঁড়ি
advertisement
পূর্ণিমার সঠিক সময়
চাঁদ তার সর্বোচ্চ পূর্ণতা অর্জন করবে ৩ জানুয়ারি সকাল ১০টা ০৩ মিনিটে (GMT অনুযায়ী), যা ভারতের সময় অনুযায়ী বিকেল ৩টা ৩৩ মিনিট। তবে সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যাবে সূর্যাস্তের পর, যখন চাঁদ সন্ধ্যার আকাশে উদিত হবে। ২ জানুয়ারি ও ৩ জানুয়ারির সন্ধ্যায় চাঁদকে পূর্ব দিগন্তের খুব নিচু অবস্থানে দেখা যাবে৷ এই এই অবস্থান থেকেই তৈরি হয় বিখ্যাত ‘মুন ইলিউশন’, যার ফলে চাঁদকে আরও বড়, সোনালি রঙের এবং চোখের খুব কাছাকাছি বলে মনে হয়।
কেন একে ‘উলফ মুন’ বলা হয়?
‘উলফ মুন’ নামটির উৎস প্রাচীন নেটিভ আমেরিকান ও ইউরোপীয় ঐতিহ্য থেকে এসেছে। জানুয়ারি মাসে প্রচণ্ড শীত, দীর্ঘ রাত এবং খাদ্যের অভাব দেখা দিত। এই সময়ে খাবারের খোঁজে গ্রামগুলোর আশপাশে নেকড়েদের ডাক প্রায়ই শোনা যেত। সেখান থেকেই জানুয়ারির পূর্ণিমার নাম হয়েছে ‘উলফ মুন’।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই উলফ মুন সুপারমুনটি ২০২৬ সালে প্রত্যাশিত তিন থেকে চারটি সুপারমুনের মধ্যে প্রথম, যা আকাশপ্রেমীদের জন্য বছরের এক দুর্দান্ত সূচনা। পরিষ্কার আকাশ থাকলে দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরু-সহ সারা দেশেই এই দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
