প্রধান বিচারপতি জানান, প্রায় ৮০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি এবং আনম্যাপড তালিকা এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এই বিপুল কাজ সামলাতে জেলা বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা বিচারক পদমর্যাদার প্রায় ২৫০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তিন বছর বা তার বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজ (সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশন) পদমর্যাদার অফিসারদেরও এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
advertisement
তাছাড়া, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির যদি মনে হয় আরও মানবসম্পদ প্রয়োজন, তাহলে উনি ঝাড়খন্ড এবং ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সেখানকার কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারক যাঁরা এই র্যাঙ্কে রয়েছেন তাঁদের ব্যবহার করা যাবে।প্রধান বিচারপতি আরও জানান, কমিশন এই অফিসারদের যাতায়াত, থাকা এবং ডেইলি অ্যালাওন্সের ব্যবস্থা করবে। ওড়িশা এবং ঝাড়খন্ডের প্রধান বিচারপতিরা সংবেদনশীলতার সঙ্গে আবেদন খতিয়ে দেখবেন।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বিচারিক আধিকারিকদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার প্রস্তাব উঠে এসেছে। আদালতের নির্দেশে স্পষ্ট, দ্রুততার সঙ্গে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
