এক্স (X)-এ পোস্ট করে বেসেন্ট জানান, ট্রাম্পের জ্বালানি নীতির ফলেই আমেরিকার তেল ও গ্যাস উৎপাদন ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: গুরু-আদিত্য যোগে মার্চেই ধামাকা! ৫ রাশির বৃহস্পতি তুঙ্গে, টাকার বৃষ্টি
advertisement
তিনি আরও বলেন, এই স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের ফলে রাশিয়ান সরকারের তেমন কোনও আর্থিক লাভ হবে না, কারণ এই অনুমতি কেবল সমুদ্রে আটকে থাকা তেলের লেনদেনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷
ভারত আমেরিকার ‘গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার’, পোস্টে উল্ল্যেখ্য করে বেসেন্ট জানান ওয়াশিংটন আশা করছে যে নয়াদিল্লি ভবিষ্যতে আমেরিকা থেকে তেল কেনা বাড়াবে। তাঁর মতে, এই অস্থায়ী পদক্ষেপটি ইরানের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের চাপ কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ছাড়ের ঘোষণা এসেছে। বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে তেল উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে কারণ স্ট্রেট অফ হারমুজ (Strait of Hormuz)-এ ইরান অবরোধ তৈরি করেছে। এই সংকীর্ণ সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ পরিবাহিত হয়। ফলে তেলের আদান প্রদানের পথে তৈরি হয়েছে বড় বাধা৷
এমনকী আমেরিকা-ইজরায়েল এবং ইরানের সংঘাতের জেরে হামলা শিকার হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তৈল উৎপাদন কেন্দ্র৷ এর মধ্যে রয়েছে সৌদি অ্যারামকো-এর রাস তানুরা রিফাইনারি এবং ইরাকের রুমালিয়া তৈল উৎপাদন কেন্দ্র৷
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে ভারত রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে ওঠে। তবে এ বছর ওয়াশিংটনের চাপের কারণে ভারত রাশিয়ান তেল কেনা কিছুটা কমাতে শুরু করে। এর পর যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর আরোপিত শুল্কও কমায়। পাশাপাশি, দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তিও সম্পন্ন করেছে, যার ফলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
