এই ঘটনার মাঝেই নিজের এক্স হ্যান্ডলে বিস্ফোরক একটি পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডল ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বড় হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। এরপরেই তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার পর দেশ থেকে বের করে আনা হয়েছে।”
advertisement
এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট ট্রাম্পের
আমেরিকার এই হামলার নিন্দা করেছে ইরান। ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে এই বিস্ফোরণ এবং হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে বর্ণনা করেছেন মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ।
প্রসঙ্গত, শনিবার, স্থানীয় সময় রাত দু’টো নাগাদ পর পর মোট সাতবার বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায় ভেনেজুয়েলার রাজধানী শহর কারাকাসে। একইসঙ্গে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর উপরে খুব নিচু দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তেহরান টাইমস এয়ারস্ট্রাইকের বেশ কিছু ভিডিও এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছে। (তবে নিউজ১৮ বাংলা কোনওভাবেই এই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি)।
জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণের পরেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মানুষেরা ছুটে নিজেদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। অনেককে দেখা যায় রাস্তার উপরে জটলা করতে। একই সঙ্গে অনেকেই কৌতূহল নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতেও দেখা যায়। তবে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ভেনেজুয়ালা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে বেশ তিক্ত সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। মার্কিন নৌসেনাকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে পাঠানোর কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এরফলেই ভেনেজুয়েলায় হামলা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই হামলার কিছুক্ষণ পরেই আমেরিকার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা নাগাদ ফ্লোরিডায় নিজের আবাসনে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকেই প্রবাসী সমস্ত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলা ভ্রমণ করবেন না। আর যদি কেউ সেখানে থেকে থাকেন তাহলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকুন।”
যদিও পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনও কথা বলা হয়নি। কিন্তু, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের মতে এই হামলার পিছনে মার্কিন বাহিনীই রয়েছে।
