নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডার মাঝারি ও উচ্চ-মাঝারি স্তরে (মিডিয়াম এবং আপার মিডিয়াম গ্রেড) কখনও এত বেশি বা এত উন্নত ছিল না৷ আজ আমাকে জানানো হয়েছে যে এই অস্ত্রগুলোর প্রায় সীমাহীন সরবরাহ আমাদের হাতে রয়েছে। শুধু এই মজুত দিয়েই (যা অন্যান্য দেশের সেরা অস্ত্রের চেয়েও উন্নত) যুদ্ধ ‘অনন্তকাল’ সফলভাবে চালান সম্ভব।’’
advertisement
তবে সর্বোচ্চ মানের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে তিনি কিছুটা ঘাটতির কথাও স্বীকার করেন। ট্রাম্প লেখেন, “সর্বোচ্চ স্তরে আমাদের ভাল অস্ত্র মজুদ রয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমরা এখনও কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাইনি। অতিরিক্ত উচ্চমানের অনেক অস্ত্র আমাদের জন্য বিদেশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংরক্ষিত রয়েছে।”
আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারের প্রশংসা করে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অস্ত্র ভাণ্ডারের নিন্দাও করেন ট্রাম্প৷ তাঁর অভিযোগ, বাইডেন ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণ উন্নত অস্ত্র সরবরাহ করেছেন, কিন্তু দেশীয় মজুত পুনরায় পূরণ করেননি। বাইডেনকে ‘ঘুমন্ত প্রেসিডেন্ট’ বলে উল্ল্যেখ্য করে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘স্লিপি জো বাইডেন তার সমস্ত সময় ও দেশের অর্থ ইউক্রেনের ‘পি.টি. বার্নাম (জেলেনস্কি!)’-কে দিয়ে দিয়েছেন — শত শত বিলিয়ন ডলারের সমমূল্যের সামগ্রী। তিনি এত উচ্চমানের অস্ত্র বিনামূল্যে দিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু সেগুলোর পরিবর্তে নতুন করে কিছু জোগাড় করার উদ্যোগ নেননি৷
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি তার প্রথম মেয়াদে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করেছিলেন এবং এখনও তা জোরদার করে চলেছেন। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, “সৌভাগ্যবশত, আমি আমার প্রথম মেয়াদে সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করেছি এবং তা অব্যাহত রেখেছি। যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত এবং বড় জয়ের জন্য তৈরি।”
তিনি লেখেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা, মার্কিন ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং (স্ট্রেট অফ হারমোজ) Strait of Hormuz দিয়ে সামুদ্রিক বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ বজায় রাখা। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের বন্ধু দেশগুলির সঙ্গে, যার মধ্যে ইজরায়েলও রয়েছে, যৌথ আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করাও ছিল এর লক্ষ্য। ট্রাম্প আরও জানান, এই অভিযানে কোনও মার্কিন স্থলসেনা মোতায়েন করা হয়নি। বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি কমানো, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধ এবং ইরানের ‘অশুভ কর্মকাণ্ড’ নিষ্ক্রিয় করাই ছিল এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
