ট্রাম্প জানান, আমেরিকার বৃহত্তম প্রতিরক্ষা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে অস্ত্র উৎপাদন ও উৎপাদনের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকের পর ‘এক্সকুইজিট ক্লাস’ বা অত্যাধুনিক ও উচ্চ নির্ভুলতার অস্ত্রশস্ত্রের উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, যত দ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ মাত্রায় উৎপাদন বাড়ানোই এখন লক্ষ্য।
advertisement
মদ নিয়ন্ত্রণে রাখলেই মিটে যাবে এই বড় সমস্যা! লিভার ঠিক রাখতে কী কী করবেন? জানালেন চিকিৎসক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, এই সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বৈঠকের আগেই শুরু হয়েছিল। প্রায় তিন মাস আগে থেকেই নতুন কারখানা তৈরির কাজ ও অস্ত্র উৎপাদনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই বহু অস্ত্র তৈরির কাজ চলছে।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও উচ্চ-মাঝারি মানের গোলাবারুদের প্রায় সীমাহীন মজুত রয়েছে। তাঁর দাবি, এই অস্ত্রগুলির একটি অংশ বর্তমানে ইরানে চলা অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সম্প্রতি ভেনেজুয়েলাতেও ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধরনের অস্ত্রের অর্ডারও আরও বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হোয়াইট হাউসের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের শীর্ষ প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির প্রধানরা। তাঁদের মধ্যে ছিল বিএই সিস্টেমস, বোয়িং, হানিওয়েল অ্যারোস্পেস, এল৩হ্যারিস মিসাইল সলিউশনস, লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রুম্যান এবং রেথিয়নের সিইওরা।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বিষয়ে আরও আলোচনা করতে আগামী দুই মাসের মধ্যে আবারও বৈঠক হবে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্য আগ্রহ দেখাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর পথে হাঁটছে।
