ন্যাটো বন্ধুদের (NATO) একহাত নিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুক্রবার তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে সামরিক সহায়তার দাবি না মানায় ন্যাটো অন্তর্ভুক্ত দেশদের ‘কাপুরুষ’ বলে দাবি করেছেন৷ তাঁর দাবি সারা পৃথিবী জুড়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য এরাই দাবি৷
এদিকো ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে মাঝেমধ্যেই অবস্থান বদল করছেন৷ একবার তিনি বলেছেন জলপথটি সুরক্ষিত করতে ওয়াশিংটনের কারোরই সাহায্য প্রয়োজন নেই৷ আবার কখনও পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্যান্য দেশের সমালোচনা করেছেন৷ তিনি তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ন্যাটো একটি কাগুজে বাঘ!”
advertisement
আরও পড়ুনঃ এসি ঘরে রাখুন জলভরা বালতি! এতেই নাকি ঘটে ম্যাজিক…কারণ জানলে আপনিও রোজ করবেন গ্যারান্টি
এখন যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র তার উদ্দেশ্য পরিবর্তন করছে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মোজতবা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। কিন্তু দেখা গেল যুদ্ধবিরতি চাইছেনই না ট্রাম্প। তবে, পিট হেগসেথ তারঁ বিবৃতিতে এও বলেছেন যে ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের উদ্দেশ্য ভিন্ন। এর অর্থ হতে পারে যে, যুক্তরাষ্ট্র মোজতবাকে লক্ষ্যবস্তু না করলেও, নেতানিয়াহুর দৃষ্টি যে কোনও সময় তাঁর উপর পড়তে পারে! সংঘাতের সূত্রপাত ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে। তার জেরে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা সঙ্কটের রূপ নেয়নি। যাতে তা না নেয়, সে জন্যই এই যুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশ। ফলাফল কিন্তু অপ্রত্যাশিত! মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এখন ২০ দিন ধরে চলছে। আমেরিকা কখনও কল্পনাও করেনি যে, প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার পর দেশটি এত দিন টিকে থাকবে।
