বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু-সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের নির্বাচনে এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি। নির্বাচনে না জিতলেও আসন সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে জামাতের। জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়া নাহিদ ইসলামের এনসিপিও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে নির্বাচনে। তবে শপথ নেওয়ার আগেই বিএনপির সঙ্গে মতপার্থক্য হয় জামাতের।
advertisement
আরও পড়ুন: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন চার নেতা! রয়েছেন ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যাও
তারেক রহমানের শপথ নিয়ে জামাত দাবি করেছিল বিএনপিকে শুধু সংসদ সদস্য হিসাবেই শপথ নিলে হবে না, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবেও শপথ নিতে হবে। জামাতের সেই দাবি মানেনি বিএনপি। জামাতের এই দাবি না মানায় জামাতের জয়ী সদস্যরা শপথ নেয়নি সাংসদ হিসাবেও। পাশাপাশি বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় শপথ অনষ্ঠান বয়কট করেন নাহিদ ইসলামের এনসিপির জয়ী সদস্যরাও। ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা করে এনসিপি। এর জেরেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফের চাপানউতর শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: কর্ণাটকে ইজরায়েলি পর্যটক-সহ দুজনকে গণধর্ষণ এবং খুনে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ আদালতের
বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পরে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই দেখার। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে হাসিনার পরে ফের স্থায়ী সরকার গঠিত হল।
