কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা দোহায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে একটি অফিশিয়াল নোট পাঠিয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, সামরিক অ্যাটাশে ও নিরাপত্তা অ্যাটাশে-সহ তাদের দফতরে কর্মরত সমস্ত কর্মীকে দেশ ছেড়ে যেতে হবে।
দোহা সতর্ক করেছে, ইরানের আগ্রাসনের জবাবে তারা ‘এমন অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেবে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করবে।’ কাতার জানিয়েছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র এবং কাতারের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। সেখানে ইরান হামলা চালায়। ডিফেন্স দল আগুনের মোকাবিলা করছে। কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা কাতার এনার্জি জানিয়েছে, ইরানের হামলায় তাদের প্রধান গ্যাস ফেসেলিটিতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। সংস্থা এও জানিয়েছে, হামলা পরবর্তীতে সমস্ত কর্মীর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই।”
এদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, বুধবার রিয়াদের দিকে ছোড়া চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা আকাশেই প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি দেশের পূর্বাঞ্চলের একটি গ্যাস ফেসিলিটিতে চালানো ড্রোন হামলার চেষ্টাও ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অশান্তি গোটা বিশ্বে জ্বালানির সংকট ডেকে এনেছে। তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারে পৌঁছেছে।
