রেন্ডি জর্জ ২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই পদে থাকার কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁকে আগাম অবসর নিতে বলা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ সেনা কর্মকর্তা এবং একাধিক বড় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।
প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীতে নতুন নেতৃত্ব আনার প্রয়োজন অনুভব করা হচ্ছে। প্রশাসন এমন নেতাদের সামনে আনতে চাইছে, যারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে পারবেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
জর্জের সরে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব সামলাতে পারেন ভাইস চিফ জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ। তাঁকে একজন অভিজ্ঞ এবং যুদ্ধপরীক্ষিত নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, তিনি নতুন নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ বাবার মন্তব্যের জন্য দুঃখিত! ধোনি ও কপিলের কাছে ক্ষমা চাইলেন যুবরাজ
উল্লেখ্য, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হেগসেথ একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে সরিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল চলছে, যা ভবিষ্যতে দেশের প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
