পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, ‘ধর্মীয় সমাবেশে এমন ঘটনা খুবই জঘন্য কাজ। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।’ আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বলা হচ্ছে, এটি একটি আত্মঘাতী হামলা। পাকিস্তানি চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে মাটিতে লাশের স্তূপ পড়ে আছে এবং সর্বত্র রক্তছড়িয়ে আছে।
advertisement
বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জান আচাকজাই বলেছেন, “মাস্তুংয়ে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহতদের কোয়েটার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহতদের যাতে দ্রুত ভর্তি করা যায় এবং চিকিৎসা শুরু করা যায় সেজন্য সব হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শত্রুরা আমাদের ধ্বংস করতে চায়। এটা আমাদের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার ওপর আক্রমণ এবং এতে বিদেশী শক্তির হাত রয়েছে। বিস্ফোরণটি খুবই তীব্র ছিল এবং এর প্রভাব অনেক দূরে অনুভূত হয়েছে।”
আরও পড়ুন, হাওড়া ব্রিজে বন্ধ যান চলাচল! আদিবাসী সংগঠনের মিছিলের জেরে চরম দুর্ভোগ
আরও পড়ুন, ডেঙ্গি মশারূপী অসুর বধ করতে ব্লিচিং হাতে মা দুর্গা মর্তে!কাউন্সিলরের অভিনব ভাবনা
ডন পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বালুচিস্তানের মাস্তুং জেলার ওয়ারসাক রোডে প্রাইম হাসপাতাল কমপ্লেক্সের কাছে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এ বিস্ফোরণে সব তথ্য এখনও জানা যায়নি। সম্প্রতি, বালুচিস্তানের মাস্তুং জেলায় আরেকটি বিস্ফোরণে জমিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) নেতা হাফিজ হামদুল্লাহসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের পেশোয়ারে বিস্ফোরণে একজন ফ্রন্টিয়ার কনস্ট্যাবুলারি (এফসি) অফিসার নিহত ও আটজন আহত হন।
