উৎক্ষেপণ প্যাডে রকেটটির চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষা–নিরীক্ষা ও মহড়া চালানো হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে নভোযানটিকে উৎক্ষেপণের অনুমতি দেওয়া হবে। আর্টেমিস–২ নামে ১০ দিনের এই অভিযানে চার নভোচারী অংশ নেবেন। তাঁরা চাঁদের চারপাশে পরিভ্রমণ করবেন।
শনিবার ৯৮ মিটার উঁচু রকেটটিকে খাড়া অবস্থায় ভেহিকেল অ্যাসেম্বলি ভবন থেকে ৪ মাইল (৬.৫ কিলোমিটার) দূরের উৎক্ষেপণকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে সময় লেগেছে প্রায় ১২ ঘণ্টা। নাসা বলেছে, রকেটটি উৎক্ষেপণের জন্য কয়েকটি সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কাছের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি। তা ছাড়া ওই মাসের শেষের দিকেও উৎক্ষেপণের জন্য একাধিক সময়সূচি রয়েছে। মার্চ কিংবা এপ্রিলেও উৎক্ষেপণ করা হতে পারে।
advertisement
‘ক্রলার-ট্রান্সপোর্টার’ নামে পরিচিত একটি বিশাল যন্ত্র রকেটটি বহন করে নিয়ে যায়। ধীরে ধীরে এগোতে থাকা এই যন্ত্রের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ০.৮২ মাইল। সরাসরি সম্প্রচারে এই ধীরগতির দৃশ্য ধরা পড়েছে। নাসা কর্তৃপক্ষ বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রকেটটি জ্বালানি ভরে মহড়া চালানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।
আর্টেমিস–২ মিশনে অংশ নেবেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ ও কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হানসেন। শনিবার রকেটটি উৎক্ষেপণ প্যাডে স্থাপনের সময় তাঁরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নাসা বলেছে, এই অভিযানটি মহাকাশের এমন জায়গায় নভোচারীদের নিয়ে যাবে, যেখানে আগে কেউ যাননি।
