২০২০ সাল থেকেই চিন বিভিন্ন স্থানভিত্তিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে। সর্বত্রই প্রশাসন জোর দিয়েছে করোনা পরীক্ষা থেকে শুরু করে, চিকিৎসা ও আঞ্চলিক লকডাউনের উপর। কিন্তু সেই প্রতিরোধের দেওয়াল ভেদ করে ঢুকে পড়েছে করোনার নতুন ওমিক্রন স্ট্রেন। শেষ কয়েকমাসে সেই কারণেই লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ (Covid 19)। করোনার নতুন প্রজাতির সবচেয়ে বেশি আক্রমণ দেখা গিয়েছে চিনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর জিলিন প্রদেশে। সেই কারণেই সেখানে ক্রমে পুরো প্রদেশটিকেই লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। জিলিনের ৪০ লক্ষ মানুষ আপাতত লকডাউনের আওতায় রয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: আজই তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অশনি, সরাসরি না হলেও বাংলাতেও বড় প্রভাব! কী হতে চলেছে?
চিনে রবিবার মোট ৪ হাজার নতুন করে করোনা আক্রান্তের (Covid 19) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ আক্রান্তের বাড়ি জিলিন প্রদেশে। এই প্রদেশের অবস্থান রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায়, সেই কারণে ওই দেশগুলিতেও রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, ১১ মার্চ থেকে চাংচুং প্রদেশেও জারি করা হয়েছে কড়া কোভিড বিধি। এই প্রদেশের ৯০ লক্ষ মানুষকে সপ্তাহে দু'দিন করে খাবার কিনতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
চিনে গত দু'বছরের মধ্যে প্রথমবারের জন্য করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটার কারণে শনিবারের পর থেকে আরও কড়া হয়েছে প্রশাসন। আপাতত চিনে ১ কোটি মানুষ লকডাউনের আওতায় রয়েছে। পরিস্থিতি নাকি এমন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছে যে চিনের হাসপাতালগুলিতে কোভিডের শয্যা পাওয়া সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যে জিলিন প্রদেশে দুটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি হয়েছে, তৈরি করা হয়েছে দুটি কোয়ারেন্টিন সেন্টার।
