সূত্রের দাবি, তাঁর সীমিত চলাফেরা ও যোগাযোগের পরিস্থিতিতে তাঁর বার্তা বাইরে পৌঁছে দিতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (Islamic Revolutionary Guard Corps-আইআরজিসি)।
প্রসঙ্গত, আদৌ বেঁচে আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই? বেশকিছুদিন ধরেই এ প্রশ্ন উঠেছিল বিশ্বের রাজনৈতিক মহলে৷ এমনকী খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই প্রশ্ন তুলে জল্পনায় ঘি ঢালেন৷
advertisement
আরও পড়ুন: রোজ পরছেন, বলুন তো জুতোর পেছনে কেন থাকে এই ছোট্ট ‘ফিতে’? ৯৯% লোকজনই জানেন না এর আসল কাজ
এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না আমি জানি না। এখনও পর্যন্ত কেউ তাঁকে সামনে আনতে পারেনি। আমি শুনছি তিনি বেঁচে নেই। আর যদি বেঁচে থাকেন, তাহলে তাঁর দেশের জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা।”
তবে এর আগেই ট্রাম্প আবার বলেছিলেন, মুজতবা খামেনেই হয়তো এখনও কোনওভাবে বেঁচে আছেন, যদিও তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়ে থাকতে পারেন। ফক্স নিউজ রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় তিনি বেঁচে আছেন, তবে তিনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।”
প্রসঙ্গত, বাবা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেই৷ যদিও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁকে জনসমক্ষে খুব বেশি দেখা যায়নি৷ ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা এবং অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়৷ সিএনএনের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামলার প্রথম দিনেই তাঁর পায়ে চিড় ধরেছিল, বাম চোখে আঘাত লাগে এবং মুখে সামান্য ক্ষতও হয়। এমতবস্থায় ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, বেঁচেই আছেন মোজতবা খামেনেই৷ তবে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন ইরানের বর্তমান শীর্ষ নেতা৷
