মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অপরদিকে যুদ্ধে তাঁকে আরও সামরিক বিকল্প দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন। এর অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ১০ হাজার পর্যন্ত স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
advertisement
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এতে পেন্টাগনের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত আছেন—এমন কর্মকর্তাদের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো সম্ভাব্য এই বাহিনীতে পদাতিক সেনা ও সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ওয়াশিংটন এরই মধ্যে মার্কিন বাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ৫ হাজার মেরিন সেনা ও প্রায় ২ হাজার প্যারাট্রুপারকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এখন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবর অনুযায়ী আরও প্রায় ১০ হাজার সেনা তাঁদের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইজরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইজরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।
ইজরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার ইজরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি।’ সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।
এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইজরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো-সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো-সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।
