এই হামলার আগে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্সের কর্মীরা ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বিভিন্ন দেশের উদ্দেশে বার্তা লিখছেন। তার মধ্যে একটি বার্তায় লেখা ছিল, “থ্যাঙ্ক ইউ টু পিপল অফ ইন্ডিয়া”। একইভাবে স্পেন, পাকিস্তান ও জার্মানির জনগণের উদ্দেশেও কৃতজ্ঞতা জানানো বার্তা লেখা হয়।
advertisement
আইআরজিসি জানিয়েছে, এই দফার হামলায় ইজরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনাগুলিকেও নিশানা করা হয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, বাহরিনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের একটি রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে তেহরান ও ইজরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে উত্তেজনা ক্রমশ বেড়েছে। এই সংঘর্ষে ইরান একাধিকবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে, যা তারা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে।
তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও, ইরান বৃহস্পতিবার জানায় যে “বন্ধুপ্রতীম দেশ”-এর জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে।
এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের শিয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। রামবান জেলার চান্দেরকোট এলাকায় একটি ইমামবাড়ায় শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে নগদ অর্থ, গৃহস্থালির সামগ্রী, সোনা ও রুপোর গয়না দান করেন। শিশুরাও নিজেদের সঞ্চয় ভেঙে সাহায্য করেছে। কেউ কেউ ভেড়ার মতো গবাদি পশুও দান করেছেন।
বুদগাম এলাকাতেও স্থানীয় বাসিন্দারা গয়না ও অর্থ দান করে ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন, যা চলমান উপসাগরীয় সংকটের প্রেক্ষাপটে নজর কেড়েছে।
