প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে ব্রিটেন তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধে কোনও ভাবেই পা দিচ্ছি না।’ সরাসরি সেনা না পাঠানোর ঘোষণা করে দিলেও কৌশলগতভাবে এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ব্রিটেন।
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলার জন্য আমেরিকাকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে স্টার্মার সরকার। এ ছাড়া ইরানের ছোড়া ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে মধ্যপ্রাচ্যে আকাশপথে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করা হয়েছে।
advertisement
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ২৪ ঘণ্টায় ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৭টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আজ এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯৪১টি ড্রোন এবং ৪৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রক আরও জানায়, এসব হামলায় আমিরাতে এখন পর্যন্ত ১৭৮ জন আহত হয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন।
একই সময়ে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনও তাদের আকাশসীমায় ৮টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৭টি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে। বাহরাইন প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট ১৮২টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৯৮টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলি হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
