আরাঘচি এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপের পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। টেলিগ্রামে শেয়ার করা চিঠিতে ইরানি মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, এই হামলাগুলো “পুরো অঞ্চলকে তেজস্ক্রিয় দূষণের মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে, যার মানবিক ও পরিবেশগত পরিণতি গুরুতর।”
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সম্প্রতি বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো “গভীর উদ্বেগের” বিষয়। “সক্রিয় বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশেপাশে আগ্রাসনকারীদের বারবার হামলা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়।
advertisement
ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বুশেহর স্থাপনাটি রাশিয়া থেকে আনা স্বল্প-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে প্রায় ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
পশ্চিম এশিয়ায় এ পর্যন্ত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে, যার অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হল তেহরানের কথিত পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।
শনিবার সকালে বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানার কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে অন্তত একজন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন বলে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, এই ঘটনাটি কারখানার প্রধান অংশগুলোকে প্রভাবিত করেনি, তবে একটি সহায়ক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, উৎপাদন অপ্রভাবিত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলার সতর্কবার্তার পরই এই হামলাটি চালানো হয়।
আরও পড়ুন : ‘আর ৪৮ ঘণ্টা…নরক-বর্ষণ হবে…’, হরমুজ-ডেডলাইন মনে করিয়ে দিয়ে ইরানকে চরম হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের
ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করা এক বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী “ইরানে যা অবশিষ্ট আছে তা ধ্বংস করা এখনও শুরুই করেনি।”
