যৌথ বিবৃতিতে ইরানের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় নিন্দা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজ, তেল-গ্যাস পরিকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনার উপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টাকেও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ২৫ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি! শুক্রবারই প্রকাশ পেতে পারে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা?
advertisement
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং মাইন পেতে দেওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলি ইরানকে অবিলম্বে এই ধরনের আক্রমণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
এদিকে, ইরান-সংঘাতের জেরে ইউরোপে জ্বালানির দামে ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর ইউরোপে গ্যাসের দাম ৬০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একসময় ব্যারেল প্রতি ১১৯ ডলার ছুঁয়ে ফেলে, পরে তা কিছুটা কমে ১১২ ডলারে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতিগুলিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা জরুরি বৈঠকও করেছেন। ইরান ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তাদের জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর হামলা হলে তারা ‘শূন্য সংযম’ নীতি নেবে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
