অন্য দিকে একইরকম খারাপ অবস্থায় রয়েছে আমেরিকাও। মার্কিন শ্রম মন্ত্রক জানিয়েছে সম্প্রতি আরও ৩৮ লক্ষ মানুষ কাজ হারানোর তালিকায় নিজেদের নাম নথিভূক্ত করেছেন, যার ফলে মোট সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটিতে। মানে দেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ কর্মহীনতায় ভুগছেন। বৃহস্পতিবার ফেডেরাল রিজার্ভের পক্ষ থেকে আরও কিছু অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়া সংস্থাকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
advertisement
এসবের পিছনে লকডাউন ও করোনা ভাইরাসের প্রভাবকে দোষ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বলছেন, ইউরোপের একাধিক দেশ, যেমন স্পেন, ফ্রান্স ইতালিতে লকডাউনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রথমত এই দেশগুলির বিশেষ পর্যটন শিল্পে তেমন কোনও বাণিজ্য নেই বললেই চলে। স্বাভাবিকভাবে তেলের চাহিদাও অনেকটা পড়ছে, এনার্জি সেক্টরের চাহিদাও নেই। ইউরোপীয় গাড়ি তৈরির কারাখানাগুলি আগেই ধুঁকছিল, এখন মাছি তাড়াচ্ছে বলা চলে।
ইসিবির প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইউরোপ যে অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়েছে তা এককথায় অভূতপূর্ব! গোটা ইউরোপের জিডিপির হিসাব করলে, তা এই আর্থিক বর্ষে ১২ শতাংশ পর্যন্ত পড়তে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
