জ্যাস্পারের বয়স ১২ বছর৷ তবে জন্ম থেকে একে এরম দেখতে নয়৷ জন্মের সময় অন্যান্য বিড়ালের মত সুস্থই ছিল সে৷ তাকে দেখে পছন্দ হওয়ায় মালিক কেলি দত্তক নেন৷ তবে কিছু বছর পর এই বিড়ালের এক ধরণের অসুখ হয়৷ যার নাম ফেলাইন হার্পেস ভাইরাস৷ একই সঙ্গে কর্নিয়াল আলসরে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাঁর ডান চোখও৷ চোখের অবস্থা এতটাই খারাপ হতে থাকে যে, সেটা বাদ দিতে নয়৷ না হলে আরও বাড়তে পারত ক্ষত৷ এর কয়েক মাস পর একই সমস্যা হয় অন্য চোখেও৷ ২০১৮-তে দ্বিতীয় চোখটিও বাদ পড়ে৷ তবে চোখ বাদ গেলেও আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিয়েছে জ্যাস্পার৷
advertisement
তাই তাকে দেখে অনুপ্রাণিত বহু পশুপ্রেমী৷ খুবই ভয়ঙ্কর ছিল সেই সময়টা৷ কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না কেন ওর চোখে এমন সমস্যা হচ্ছে৷ তবে চিকিৎসা করে ও ভাল আছে৷ কী কারণে এটা হয়েছিল জানা যায়নি ঠিকই৷ তবে যেভাবে চিকিৎসা হয়েছে, সেটা খুবই ভাল৷ এমনই জানিয়েছেন জ্যাস্পারের মালিক৷
২০১৯-এ জ্যাস্পারের হাল্কা স্ট্রোকও হয়৷ তবে এখন সে পুরোপুরি সুস্থ৷ ১২ বছর বয়স তার৷ পশুচিকিৎসকের মতে আরও কিছু বছর বাঁচবে জ্যাস্পার৷
আপাতত জ্যাস্পারের ৭২,৯০০ জন ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার রয়েছেন৷ ৫০ হাজার ফলোয়ার রয়েছেন টিকটিকে এবং ১২ হাজার ফলোয়ার রয়েছেন ফেসবুকে! তার মালিক নিয়মিত জ্যাস্পারের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন৷
