ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মহম্মদ নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন।
নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ নাহিদ কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।
advertisement
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে আখতার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে তিনটের দিকে আখতার হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. এনামুল আহসান । ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ ভোটারের এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৬৪। ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
জীবনে প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেই জয়ের দেখা পেলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের জন্য তাঁর তেমন আর্থিক প্রস্তুতি ছিল না। তাঁর ব্যাংক হিসাব, বিকাশ ও নগদে সারা দেশের মানুষ ২৭ লাখ টাকার মতো অনুদান দিয়েছেন। রংপুরের কাউনিয়া–পীরগাছার এমন মানুষও আছেন, যাঁরা বিভিন্ন সময় ১০ টাকা থেকে ৫০০, ১ হাজার, ২০ হাজার, ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এত মানুষ পরিশ্রম করেছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন, যাঁদের চড়–থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেকটা মানুষ যাঁরা দিনরাত খেটে পরিশ্রম করেছেন,সবাই যে পরিশ্রম করেছেন, আমার তাঁদের একেকজন করে ঋণ পরিশোধ করা প্রয়োজন। এটাই আমার কর্তব্য হওয়া উচিত।’
