পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা মেইল ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। অন্যদিকে মামুন স্পেশ্যাল পরিবহণ নামের বাসটি চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরের দিকে যাচ্ছিল। পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে বাসটি উঠে পড়লে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। মুহূর্তেই বাসটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এই অবস্থায় বাসটিকে হিঁচড়ে আধ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নিয়ে যায় ট্রেনটি।
advertisement
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল মমিন বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুটি শিশু, সাতজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে, হাসপাতালটিতে এখন পর্যন্ত ১২ জনের দেহ আনা হয়েছে। এর মধ্যে দু’জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও দেশের বাকি অংশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রেললাইন থেকে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া বাসটি সরানোর কাজ চলছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিগন্যাল বিভ্রাট নাকি চালকের অসতর্কতা, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
