উত্তর ভার্জিনিয়ার ফেডারেল আইনজীবীরা বলছেন, এই দম্পতি তাঁদের মালিকানাধীন ‘রেড কার্পেট ইন’ হোটেলের তিনতলাটি মাদক বিক্রি এবং যৌন ব্যবসার কাজে ব্যবহার করতেন। আর সাধারণ অতিথিদের রাখতেন হোটেলের অন্যান্য তলায়। আদালতের নথিপত্রে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে শর্মা দম্পতি এই হোটেলটি পরিচালনা করে আসছেন।
আরও অভিযোগ, শর্মা দম্পতি এই অবৈধ কাজের জন্য অপরাধীদের সুযোগ করে দিতেন এবং বিনিময়ে আয়ের একটি অংশ নিতেন। পুলিশ জানায়, কোষা শর্মা যৌনকাজের জন্য যাওয়া পুরুষদের হোটেলের তিনতলায় পাঠিয়ে দিতেন। এমনকি পুলিশ অভিযানে এলে তিনি অপরাধীদের আগেভাগে সতর্ক করে দিতেন এবং অনেক সময় পুলিশকে হোটেলের কক্ষে ঢুকতে বাধা দিতেন।
advertisement
অভিযানে কোষা ও তরুণ ছাড়া আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ৫১ বছর বয়সী মার্গো পিয়ার্স, ৪০ বছর বয়সী জশুয়া রেডিক এবং ৩৩ বছর বয়সী রাশার্ড স্মিথ। ২০২৫ সালের মে থেকে অগাস্ট মাসের মধ্যে এফবিআই এবং স্থানীয় পুলিশের গোয়েন্দারা খদ্দের এবং যৌনকর্মীর ছদ্মবেশে অন্তত নয়বার ওই হোটেলে যান।
তদন্তে দেখা গিয়েছে, সেখানে অন্তত আটজন নারীকে দিয়ে জোরপূর্বক দেহব্যবসা করানো হচ্ছে। স্মিথ ও তাঁর সহযোগীরা যৌনকর্ম করতে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৮০ থেকে ১৫০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত নিতেন। ওই নারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতনও চলত। এ ছাড়া ছদ্মবেশী গোয়েন্দারা ওই হোটেল থেকে ১৫ বার মাদক কেনেন। এর মধ্যে ১১ বার ছিল মরণঘাতী মাদক ‘ফেন্টানিল’ এবং চারবার ছিল কোকেন। মার্গো পিয়ার্স নামের ব্যক্তি এই মাদক সরবরাহের কাজ করতেন বলে অভিযোগ।
