জনশ্রুতি বলে, ১১২৫ বঙ্গাব্দে ঝাড়গ্রাম দেখেছিল সুবর্ণরেখার রাগ। বর্ষায় ফুঁসে উঠে গিলে খেয়েছিল জমি-জিরেত, ফসল, সংসার, সন্তান। ঝিঙে গাছের শক্ত লতা আঁকড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন বানভাসিরা। এরপরই গোপীবল্লভপুরে ঝিঙে ষষ্ঠীর প্রচলন। নদীকে শান্ত রাখতে লৌকিক উপাচার। গ্রামের মহিলারাই পালন করেন ঝিঙে ষষ্ঠী। অনেকে বলেন নদী ষষ্ঠী। উদ্দেশ্য একটাই শান্ত রাখা নদীকে। মহিলারাই পুজো করেন। পুরোহিতও মহিলা। কোনও পুরুষ এখানে ঢুকতে পারেন না। দুর্গা পুজোর একমাস আগে প্রকৃতির উপাসনা করেন তাঁরা। আশ্বিনের আগে ভাদ্র মাসে হয় ঝিঙে ষষ্ঠী। দশভূজা রূপে পুজো হয় কচুগাছ। গোটা ঝিঙে, ঢ্যাঁড়স, শসা ছাড়াও বিভিন্ন সবজি ও ফল দেওয়া হয়। পুজোর পর সুবর্ণরেখার জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয় ঝিঙে।
advertisement
Location :
First Published :
Sep 13, 2019 8:10 PM IST
