এই ঘটনায় বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার দীনেশ কুমার জানান, মিমি চক্রবর্তী-র করা অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্তে গিয়েছিল। তবে গ্রেফতার করা হয়েছে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে, মিমির করা অভিযোগের ভিত্তিতে নয়। একই সঙ্গে তিনি জানান, মিমির অভিযোগের তদন্ত আলাদা ভাবে চলছেই।
“আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব।” বনগাঁ মহকুমা হাসপাতাল থেকে কোর্টে যাবার পথে বললেন মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্তার কান্ডে গ্রেফতার হওয়া তনয় শাস্ত্রী । আরও বলেন, “এর পরে যদি কিছু হয় তা হলে উনি প্রভাব খাটিয়ে করতে চাইছেন।”
advertisement
উল্লেখ্য, এই সময় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এর প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে পারেননি। যদিও পুলিশি পদক্ষেপে তিনি সন্তুষ্ট বলেই ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি।
ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার রাতে। বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই তিনি মঞ্চে হেনস্থার শিকার হন। মিমির বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান চলার মাঝেই তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে এসে তাঁকে অনুষ্ঠান বন্ধ করে নামতে বলেন। পরিস্থিতি এড়াতে তিনি পুরো অনুষ্ঠান না করেই মঞ্চ ছেড়ে চলে যান। তাঁর অভিযোগ, তনয়ের আচরণ ছিল অত্যন্ত উদ্ধত। এর পরেই ই-মেল মারফত স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। প্রাক্তন সাংসদের আরও দাবি, অন্য শিল্পীদের মতো তিনি তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে অতিথি হয়ে যেতে রাজি হননি বলেই তাঁর সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সোমবার থেকে এলাকায় চাপানউতর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
